ঢাকায় ৩,০০০ টাকার উপরে ফ্রি ডেলিভারিহাতে পেয়ে টাকা দিন

ENবাং
RAFI SHAREES

ব্লগ · 4 মিনিট

অনলাইনে অর্ডার করার পর কী হয়: ফোন, প্যাকিং, কুরিয়ার

অর্ডার বাটন চাপার পর থেকে রাইডার দরজায় আসা পর্যন্ত — দোকানের ভেতরে ঠিক কী ঘটে, কেন ফোন করি, কীভাবে মুড়ি, কুরিয়ারে কী যায়, আর কোথায় দেরি হতে পারে।

অনলাইনে কিনে অনেকে ভাবেন প্যাকেট একটা গুদাম থেকে আসে। আমাদের আসে চারতলার দোকান থেকে, যে তাকে শাড়িটা ছিল সেখান থেকেই। মাঝখানে যা ঘটে, সেটা জানলে অর্ডারের পর অপেক্ষাটা সহজ হয়।

প্রথম ঘণ্টায়: ফোন

অর্ডার এলে দোকানে একটা বার্তা আসে, আর আমরা দেওয়া নম্বরে ফোন করি — শাড়িটা তাকে আছে কি না দেখে, ঠিকানা মিলিয়ে, আর একটা প্রশ্ন: ব্লাউজ পিস লাগানো না আলাদা, কোনো রং সন্দেহ আছে কি না। এই ফোনটাই ভুল অর্ডার আটকায়। নম্বর ভুল দিলে অর্ডার আটকে থাকে — তাই ফোন ধরুন।

প্যাকিং

শাড়ি দোকানের ভাঁজে, সুতির কাগজে, তারপর কুরিয়ারের পলিব্যাগে — ভেতরে একটা ছোট কার্ডে অর্ডার নম্বর আর দোকানের ফোন। দিনের অর্ডার দুপুরের মধ্যে মোড়া হয়; বিকেলের অর্ডার পরদিন সকালে।

কুরিয়ারে

মিরপুর থেকে কুরিয়ারের গাড়ি বিকেলে নেয়। ঢাকার ভেতরে সাধারণত পরদিন; বিভাগীয় শহরে দুই থেকে চার কর্মদিবস; উপজেলায় আরও এক দিন। ট্র্যাকিং নম্বর আপনার ফোনে যায়। রাইডার সিল করা প্যাকেট দেবেন, আপনি টাকা দেবেন — আগে নয়।

বিদেশ থেকে অর্ডার করলে

প্রবাসী অনেকে মা-বোনের জন্য এখান থেকে পাঠান। চেকআউটে যিনি পাবেন তাঁর নম্বর দিন, আপনার নয় — ফোনটা তাঁকেই করা হয়, ডেলিভারির আগে আবার জানানো হয়। টাকা বাংলা কিউআর বা কার্ডে দেওয়া যায়, তাহলে হাতে পাওয়ার সময় কিছু দিতে হয় না; ক্যাশ অন ডেলিভারি চাইলে যিনি পাবেন তিনি দেবেন। প্যাকেটের ভেতরে চাইলে একটা ছোট বার্তা লিখে দিই — অর্ডারের নোটে লিখে দিন।

কোথায় দেরি হয়

তিন জায়গায়: ফোন না ধরলে; ঈদ বা বিয়ের মৌসুমে কুরিয়ার ভরা থাকলে; আর ঠিকানায় থানা-উপজেলার নাম না থাকলে। প্রথমটা আপনার হাতে, দ্বিতীয়টা কারো হাতে নেই, তৃতীয়টা চেকআউটে একটা লাইনে সমাধান হয়। প্যাকেট পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে খুলুন; কিছু ভুল হলে সেদিনই ফোন — বদল তিন দিনে।

এরপর · Read on

আরও লেখা

RAFI SHAREES, মিরপুর ১০, ঢাকা। 2026-09-27।